বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১, ১৩ জিলহাজ, ১৪৪৫ | ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ ০৮:৪১ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out

নতুন চাল উঠছে, অথচ বাড়ছে দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
img

নতুন চালের সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না। বরং মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতায় সরকারের বেঁধে দেয়া দামেও তারা চাল বিক্রি করছে না। কমিয়ে দিয়েছে সরবরাহ। এতে  পাইকারি পর্যায়ে আটাশ ও মিনিকেট চালের তীব্র সংকট তৈরি হচ্ছে। বাজার ঘুরে সরেজমিনে জানা যায়, মিল মালিকরা চালের সরবরাহ বাড়াচ্ছেন না। সরকারের নির্ধারিত দামেরও তোয়াক্কা করছেন না। চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মাঝারি ও সরু চালের দাম বেঁধে দেয় সরকার। নতুন দরে সরু মিনিকেট চাল কেজি প্রতি ৫১ টাকা ৫০ পয়সা আর মাঝারি মানের চাল কেজিপ্রতি ৪৫ টাকা করে বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দাম নির্ধারণ করে দেয়ার দুই মাস পার হতে চললেও সেই দামে চাল বিক্রি করছেন না মিল মালিকরা। মিলপর্যায় থেকে বেড়েই চলেছে চালের দাম। শুধু তাই নয়, চিকন ও মাঝারি চাল ঢাকায় পাঠানোও প্রায় বন্ধ রেখেছেন তারা। এতে রাজধানীর পাইকারি বাজারে পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। আটাশ ও মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত। পাইকারদের অভিযোগ, চালের দাম আরও বাড়াতেই নতুন করে অর্ডার নিচ্ছে না মিলাররা। মিল মালিকদের সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাজধানীর ব্যবসায়ীরা।

এক পাইকারী ব্যবসায়ী বলেন, এই এক সপ্তাহের মধ্যে কেজিতে দাম বাড়িয়েছে দুই টাকা। ক্রেতারাও চালের মৌসুমে দাম বাড়ানোর এ প্রবণতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বাজারে সরকারের নজরদারির দাবি জানান। বিক্রেতারা জানান, মিনিকেট ও আটাশ চাল প্রতি কেজিতে প্রায় তিন টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন চাল উঠতে শুরু করার কারণে বাজারে এর দাম কমে আসার কথা থাকলেও উল্টো দাম বৃদ্ধির এ প্রবণতায় হতাশ ও ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

Facebook Comment

Your Comment

আরো খবর